সোমবার, ২২ জুলাই ২০২৪, ০৪:৫৫ পূর্বাহ্ন

দক্ষিণখান নগরী বাড়ির রাস্তা ডোবায় একাকার : স্থায়ী দুর্ভোগে কবলে এলাকাবাসী !!

শোয়েব হোসেন
  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ১১ আগস্ট, ২০২২

ঢাকার উত্তর সিটির দক্ষিণ খান থানাধীন শাখা রাস্তার বেহাল দশা। এ শাখা রাস্তাটি দক্ষিণখান ৪৮ নং ওয়ার্ডের অন্তর্ভুক্ত। পোষাক কারখানার কেমিক্যাল মিশ্রিত পানি ও বৃষ্টির পানি জমে একাকার।নেই কোন সুয়ারেজ ব্যবস্থা। এলাকাবাসীরা জানান, এই খানাখন্দ আর কেমিক্যাল মিশ্রিত জমে থাকা পানির কারনে এলাকায় বসবাসরত মানুষের জীবনে স্থায়ী ভাবেই নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ।

এলাকার বাসিন্দাদের মতামত,দক্ষিণখান নগরী বাড়ির এই এলাকায় উত্তরের নির্বাচিত ঢাকা-১৮ আসনের এমপি আলহাজ হাবিব হাসান(যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক,ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামীলীগ),৪৮ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিল, সংরক্ষিত আসনের মহিলা কাউন্সিলরসহ অনেকেই এ রাস্তা উন্নয়নের জন্য বহুবার পরিদর্শন করলেও কোন লাভ হয়নি।এলাকাবাসীরা আরো জানায়, এই দক্ষিণ খান ইউনিয়নটি সিটি কর্পোরেশনের আওতায় আসার পর দুই বার সিটি নির্বাচন হয়,আর নির্বাচনের আগে এলাকার জনপ্রতিনিধিরা মানুষের দ্বারে দ্বারে ভোটের জন্য এলাকার উন্নয়ন ও জনগনের জন্য কাজ করার সুযোগ ও দোয়া চান।কিন্তু, নির্বাচনে যেই জয়ী হোক না কেনো নির্বাচনের পূর্বে এলাকাবাসীকে দেয়া প্রতিশ্রুতি ভুলে যান।

এলাকার অনেকেই বলেন,যারা নির্বাচনের আগে জনসাধারনদের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেন এ ধরনের জনপ্রতিনিধি আমরা চাই না। এ কথাগুলো এলাকার এক বয়স্ক ব্যক্তি তার ক্ষোভ প্রকাশ করেন গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে।এলাকার বাসিন্দা সালাম সাহেব বলেন,এই পানি বছরের পর বছর এক স্থায়ী সমস্যা। নানান রোগ জীবাণু সহ ডেংগু মশার প্রজননক্ষেত্র হিসেবে এগুলো মনে হয় রক্ষনাবেক্ষন চলছে! একজন পথচারী বলেন,”দেখেন দেখেন,আপনারাই দেখেন,এটা কি বসবাস যোগ্য এলাকার রাস্তা”? আচ্ছা, আমাদের কি ভালো রাস্তা পাওয়ার কিংবা সুস্থ সুন্দর পরিবেশ নিয়ে বাঁচার অধিকার টুকুও নেই।এটা অবশ্যই মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল। এর আগেও এই রাস্তা সম্পর্কে অনেক মিডিয়াও খানা-খন্দর আর পঁচা পানি জমে থাকার সচিত্র তুলে ধরেছে,তাতে লাভ কি বলেন। শুধু এই নগরী বাড়ির রাস্তা নয় এই দক্ষিণ খান এলাকায় সব শাখা রাস্তা গুলোর চিত্র একই রকম।

বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করতে উক্ত এলাকায় এই পথ প্রদর্শন করতে এসেছিলেন একটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান এইড এন্ড ট্রাষ্ট ইন্টারন্যাশনাল এর বিভিন্ন সদস্য ও সাংবাদিকগন।পথচারী এক ব্যক্তি বলেন,সাংবাদিক সাহেব কোন লাভ হবে না আপনারা যতই এ ধরনের প্রতিবেদন জনসম্মুখে তুলে ধরেন কোন লাভ হবেনা,আপনারা লিখতে লিখতে কলম যদি ভেঙ্গেও ফেলেন,আর ক্যামেরা দিয়ে ভিডিও করেও যদি তুলে ধরেন কাজ না হলে কোন লাভই নেই সাংবাদিক সাহেব! তবুও অনুরোধ রইলো বিষয়টি আপনারাও লিখনিতে তুলে ধরবেন।আমরা আগে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় আসা বেঈমানদের বিচার চাই।ক্ষমতা পেয়ে তারা কিভাবে অমানুষ হয়েছে কে তাদের বিচার করবে তা আমরা জানিনা। এভাবেই ক্ষোভের সাথে বিভিন্ন নেতা ও কাউন্সিলারদের বিরুদ্ধে নানান আজেবাজে কথা বলে এলাকাবাসীরা বিদায় জানান।উক্ত সংস্থার পক্ষ থেকে জনস্বার্থে ও রাষ্ট্রীয় দ্বায়িত্ব পালনকল্পে বিষয়টি সুষ্ঠু সমাধানের নিমিত্তে সংশ্লিষ্ট প্রতিটি মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে।

এই বিভাগের আরও খবর