সোমবার, ২২ জুলাই ২০২৪, ০৪:২৯ পূর্বাহ্ন

আ.লীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ-গুলি, আহত ১০

  • প্রকাশিত : সোমবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২২

যমুনা সার কারখানায় আ.লীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ-গুলি, আহত ১০
জামালপুর: জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় অবস্থিত যমুনা সার কারখানায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় উভয়পক্ষে আহত হয়েছে অন্তত ১০ জন।

এসময় একপক্ষের বিরুদ্ধে গুলিবর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।
একই ঘটনায় সাবেক ইউপি সদস্যের বাড়িতে হামলা ও লুটতরাজের অভিযোগও পাওয়া গেছে।

রোববার (৩০ অক্টোবর) দিনগত রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত যমুনা সার কারখানা এলাকায় এ সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটে।

সোমবার (৩১ অক্টোবর) দুপুরে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন থাকলেও থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

স্থানীয়রা জানান, যমুনা সার কারখানায় আধিপত্য বিস্তার ও আমদানিকৃত সারের পরিবহন চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম ও পোগলদিঘা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আশরাফুল আলম মানিক গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। রোববার রাত ৯টার দিকে রফিকুল ইসলাম সমর্থিত রায়হান কান্দারপাড়া বাজারে হামলার শিকার হন। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে রফিকুল ইসলামের লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে কারখানার গেটপাড় এলাকায় এলে আশরাফুল আলম মানিক গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। এসময় উভয়পক্ষে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপসহ কয়েক রাউন্ড গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে মিনহাজ, রায়হান, রফিক, মজিদ, রশিদ, লালন, লাল চানসহ উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন। গুরুতর আহত মিনহাজ ও রফিককে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

 

পোগলদিঘা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আশরাফুল আলম মানিক জানান, রোববার রাত পৌনে ৯টার দিকে রফিকুল ইসলাম সমর্থিত রায়হানকে কান্দারপাড়ার কিছু লোক মারধর করেন। এ ঘটনার দায় তার লোকজনের ওপর চাপিয়ে দিয়ে তারা উত্তেজিত ও সংঘবদ্ধ হয়ে হামলা চালান। এসময় রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে কয়েক রাউন্ড গুলিবর্ষণ করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

অপরদিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম অভিযোগ করেন, সরকার কাফকো থেকে যমুনা সার কারখানায় গ্রামসিকো লিমিটেডের মাধ্যমে ৩০ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার আমদানি করছে। সারগুলো আনলোডের জন্য মেসার্স মাজেদা ট্রেডার্স দায়িত্ব পেয়ে এর স্বত্বাধিকারী আশরাফুল আলম মানিক প্রতি ট্রাক থেকে ৫০০ টাকা করে চাঁদা আদায় করছেন। এ নিয়ে প্রতিবাদ করায় মানিকের লোকজন সম্প্রতি তাদের ওপর চড়াও হন। এর জেরে রোববার রাতে উভয়পক্ষে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। তবে গুলিবর্ষণের কথা তিনি অস্বীকার করেন।

এদিকে সাবেক ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষের জেরে রাত ১১টার দিকে পুলিশের উপস্থিতিতে স্থানীয় ক্যাডার মুর্শেদের নির্দেশে তার বাড়িতে হামলা চালিয়ে নগদ টাকা ও মূল্যবান মালামাল লুট করা হয়।

এছাড়াও স্থানীয় বুশরা বাণিজ্যিক সংস্থার ম্যানেজার মো. শাহ আলম জানান, সংঘর্ষের এসময় উত্তেজিত লোকজন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেছে। এতে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তার।

সরিষাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মহব্বত কবীর বলেন, যমুনা সার কারখানা এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ক্ষমতাসীন দুইটি পক্ষ সংঘর্ষে জড়ায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। তবে গুলিবর্ষণের অভিযোগটি প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

 

যমুনা সার কারখানায় আ.লীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ-গুলি, আহত ১০

 

যমুনা সার কারখানায় আ.লীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ-গুলি, আহত ১০
জামালপুর: জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় অবস্থিত যমুনা সার কারখানায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় উভয়পক্ষে আহত হয়েছে অন্তত ১০ জন।

এসময় একপক্ষের বিরুদ্ধে গুলিবর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।
একই ঘটনায় সাবেক ইউপি সদস্যের বাড়িতে হামলা ও লুটতরাজের অভিযোগও পাওয়া গেছে।

রোববার (৩০ অক্টোবর) দিনগত রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত যমুনা সার কারখানা এলাকায় এ সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটে।

সোমবার (৩১ অক্টোবর) দুপুরে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন থাকলেও থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

স্থানীয়রা জানান, যমুনা সার কারখানায় আধিপত্য বিস্তার ও আমদানিকৃত সারের পরিবহন চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম ও পোগলদিঘা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আশরাফুল আলম মানিক গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। রোববার রাত ৯টার দিকে রফিকুল ইসলাম সমর্থিত রায়হান কান্দারপাড়া বাজারে হামলার শিকার হন। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে রফিকুল ইসলামের লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে কারখানার গেটপাড় এলাকায় এলে আশরাফুল আলম মানিক গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। এসময় উভয়পক্ষে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপসহ কয়েক রাউন্ড গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে মিনহাজ, রায়হান, রফিক, মজিদ, রশিদ, লালন, লাল চানসহ উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন। গুরুতর আহত মিনহাজ ও রফিককে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

 

পোগলদিঘা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আশরাফুল আলম মানিক জানান, রোববার রাত পৌনে ৯টার দিকে রফিকুল ইসলাম সমর্থিত রায়হানকে কান্দারপাড়ার কিছু লোক মারধর করেন। এ ঘটনার দায় তার লোকজনের ওপর চাপিয়ে দিয়ে তারা উত্তেজিত ও সংঘবদ্ধ হয়ে হামলা চালান। এসময় রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে কয়েক রাউন্ড গুলিবর্ষণ করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

অপরদিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম অভিযোগ করেন, সরকার কাফকো থেকে যমুনা সার কারখানায় গ্রামসিকো লিমিটেডের মাধ্যমে ৩০ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার আমদানি করছে। সারগুলো আনলোডের জন্য মেসার্স মাজেদা ট্রেডার্স দায়িত্ব পেয়ে এর স্বত্বাধিকারী আশরাফুল আলম মানিক প্রতি ট্রাক থেকে ৫০০ টাকা করে চাঁদা আদায় করছেন। এ নিয়ে প্রতিবাদ করায় মানিকের লোকজন সম্প্রতি তাদের ওপর চড়াও হন। এর জেরে রোববার রাতে উভয়পক্ষে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। তবে গুলিবর্ষণের কথা তিনি অস্বীকার করেন।

এদিকে সাবেক ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষের জেরে রাত ১১টার দিকে পুলিশের উপস্থিতিতে স্থানীয় ক্যাডার মুর্শেদের নির্দেশে তার বাড়িতে হামলা চালিয়ে নগদ টাকা ও মূল্যবান মালামাল লুট করা হয়।

এছাড়াও স্থানীয় বুশরা বাণিজ্যিক সংস্থার ম্যানেজার মো. শাহ আলম জানান, সংঘর্ষের এসময় উত্তেজিত লোকজন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেছে। এতে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তার।

সরিষাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মহব্বত কবীর বলেন, যমুনা সার কারখানা এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ক্ষমতাসীন দুইটি পক্ষ সংঘর্ষে জড়ায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। তবে গুলিবর্ষণের অভিযোগটি প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

 

যমুনা সার কারখানায় আ.লীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ-গুলি, আহত ১০

 

যমুনা সার কারখানায় আ.লীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ-গুলি, আহত ১০
জামালপুর: জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় অবস্থিত যমুনা সার কারখানায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় উভয়পক্ষে আহত হয়েছে অন্তত ১০ জন।

এসময় একপক্ষের বিরুদ্ধে গুলিবর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।
একই ঘটনায় সাবেক ইউপি সদস্যের বাড়িতে হামলা ও লুটতরাজের অভিযোগও পাওয়া গেছে।

রোববার (৩০ অক্টোবর) দিনগত রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত যমুনা সার কারখানা এলাকায় এ সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটে।

সোমবার (৩১ অক্টোবর) দুপুরে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন থাকলেও থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

স্থানীয়রা জানান, যমুনা সার কারখানায় আধিপত্য বিস্তার ও আমদানিকৃত সারের পরিবহন চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম ও পোগলদিঘা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আশরাফুল আলম মানিক গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। রোববার রাত ৯টার দিকে রফিকুল ইসলাম সমর্থিত রায়হান কান্দারপাড়া বাজারে হামলার শিকার হন। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে রফিকুল ইসলামের লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে কারখানার গেটপাড় এলাকায় এলে আশরাফুল আলম মানিক গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। এসময় উভয়পক্ষে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপসহ কয়েক রাউন্ড গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে মিনহাজ, রায়হান, রফিক, মজিদ, রশিদ, লালন, লাল চানসহ উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন। গুরুতর আহত মিনহাজ ও রফিককে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

 

পোগলদিঘা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আশরাফুল আলম মানিক জানান, রোববার রাত পৌনে ৯টার দিকে রফিকুল ইসলাম সমর্থিত রায়হানকে কান্দারপাড়ার কিছু লোক মারধর করেন। এ ঘটনার দায় তার লোকজনের ওপর চাপিয়ে দিয়ে তারা উত্তেজিত ও সংঘবদ্ধ হয়ে হামলা চালান। এসময় রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে কয়েক রাউন্ড গুলিবর্ষণ করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

অপরদিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম অভিযোগ করেন, সরকার কাফকো থেকে যমুনা সার কারখানায় গ্রামসিকো লিমিটেডের মাধ্যমে ৩০ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার আমদানি করছে। সারগুলো আনলোডের জন্য মেসার্স মাজেদা ট্রেডার্স দায়িত্ব পেয়ে এর স্বত্বাধিকারী আশরাফুল আলম মানিক প্রতি ট্রাক থেকে ৫০০ টাকা করে চাঁদা আদায় করছেন। এ নিয়ে প্রতিবাদ করায় মানিকের লোকজন সম্প্রতি তাদের ওপর চড়াও হন। এর জেরে রোববার রাতে উভয়পক্ষে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। তবে গুলিবর্ষণের কথা তিনি অস্বীকার করেন।

এদিকে সাবেক ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষের জেরে রাত ১১টার দিকে পুলিশের উপস্থিতিতে স্থানীয় ক্যাডার মুর্শেদের নির্দেশে তার বাড়িতে হামলা চালিয়ে নগদ টাকা ও মূল্যবান মালামাল লুট করা হয়।

এছাড়াও স্থানীয় বুশরা বাণিজ্যিক সংস্থার ম্যানেজার মো. শাহ আলম জানান, সংঘর্ষের এসময় উত্তেজিত লোকজন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেছে। এতে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তার।

সরিষাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মহব্বত কবীর বলেন, যমুনা সার কারখানা এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ক্ষমতাসীন দুইটি পক্ষ সংঘর্ষে জড়ায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। তবে গুলিবর্ষণের অভিযোগটি প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এই বিভাগের আরও খবর