বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪, ১১:৩৯ অপরাহ্ন

ছাত্রদের দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বিদ্যালয়ের ময়লা পরিষ্কার করানো হচ্ছে

শোয়েব হোসেন
  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৮ নভেম্বর, ২০২২

রাজধানীর দক্ষিণখানের আশকোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রদের দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে ময়লা পরিষ্কার করানোর কিছু ভিডিও ও ছবি উদ্ধারের ঘটনার জের ধরে নানান রহস্যজনক তথ্য পাওয়া যাচ্ছে । এই নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে নিরবে ও গোপনে চলছে নানান জল্পনা -কল্পনা, ক্রোধ-বিরোধ ও পরিকল্পনা ।তবে রহস্যের গভীরতা ও সংশয়ের সাথে সাথে এর অরাজকতার তথ্যও যেন দিনে দিনে বেড়েই চলেছে। উক্ত ঘটনায় এলাকায় সকলের সজাগ দৃষ্টি ও থমথমে পরিবেশ এমনকি সংশ্লিষ্ট এলাকার অভিভাবকদের মনে সংশয় ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।

খবরে প্রকাশ,গত ১১ই অক্টোবর বেলা আনুমানিক ১১ঃ০০ টার দিকে কয়েকজন সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী কিছু তথ্য সংগ্রহের লক্ষ্যে রাজধানীর দক্ষিণখানের আশকোনা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যান। মেইন গেটে প্রবেশ করা মাত্রই দেখা যায় বিদ্যালয়ের দোতলায় সানসেটে (বারান্দাহীন খোলা স্থানে) দুজন ছাত্র ঝুঁকিপূর্ণভাবে অবস্থান করেছে ।একজন হাতে লম্বা ঝাড়ু নিয়ে নানান কায়দায় ময়লা তুলছে এবং নিচে ফেলছে। অন্যজন খেলার ছলে কখনো আরেকজনকে সাহায্য করছে আবার কখনও গাছে চড়ে বসছে।

সাংবাদিকগণ তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি ভিডিও করেন। ঠিক সেই মুহূর্তে স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা (হ্যাপি মেডাম) ভেতর থেকে এসে তাদের পরিচয় জিজ্ঞাসা করলে সাংবাদিকগণ পরিচয় দেন এবং বলেন আমরা শুনেছিলাম এই স্কুল ভবন ঝুঁকিপূর্ণ ও জরাজীর্ণ অবস্থায় আছে। তাই বিষয়টি নিয়ে রিপোর্ট করতে আমরা এসেছি। তখন প্রধান শিক্ষিকা বলেন,এখানে তো ঝুঁকিপূর্ণ কোন ভবন নেই এবং এমন হবার প্রশ্নই আসে না। তবুও চাইলে আপনারা ভেতরে এসে দেখতে পারেন। তখন উক্ত সাংবাদিকগণ কথা না বাড়িয়ে সরাসরি বিদায় নেন।

কিছুদিন পর উক্ত ভিডিও ও ছবি “আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা”র একজন সদস্যের কাছে দেয়া হলে জনৈক সাংবাদিক গত ৩রা নভেম্বর বিকেলে উক্ত প্রধান শিক্ষিকার কাছে ফোনের মাধ্যমে ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন – “আমার অজান্তে কে বা কারা বিদ্যালয়ে প্রবেশ করে ছাত্রদেরকে ঝাড়ু হাতে নিয়ে দোতলায় খোলা সানসেটে দাঁড়াতে বলে আবার নিজেরাই ভিডিও করে। আমি তাদের বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আসার কারণ জানতে চাই তখন তারা মানবাধিকার কর্মীর পরিচয় দেন এবং বলেন এখানে নাকি ভবনগুলো পুরাতন ও ঝুঁকিপূর্ণ ।এই ব্যাপারে রিপোর্ট করা প্রয়োজন বলে আমরা এসেছি। আমি বলি, নাতো! এখানে এমন কিছু তো নেই। তখন তারা ভেতরে না এসে বাইরে থেকেই বিদায় নেন। তারপর ঐদিন সন্ধ্যায় ফোনে কোন একজন ক্রাইম ব্রাঞ্চের সাংবাদিক পরিচয়ে বলেন আমার একজন প্রতিনিধি আপনার বিদ্যালয়ের কিছু ভিডিও নিয়ে এসেছে। এই বিষয়ে আমার সাংবাদিকগণ রিপোর্টের উদ্দেশ্যে আপনার সাথে সাক্ষাৎ করবেন। তখন বিস্তারিত বিভিন্ন কথা বলার সময় সেই সাংবাদিক তর্ক- বির্তক সহ আপত্তিকর বাজে ব্যবহারও করেন। তারপর নির্দিষ্ট দিনক্ষণ অনুযায়ী আমরা স্কুলের সভাপতি, শিক্ষা অফিসার সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সারাদিন স্কুলে অপেক্ষমান রেখেছি। সাংবাদিকরা আসা তো দূরের কথা, তারা আর ফোনও ধরে নি। আসলে মনে হয় তারা ব্ল্যাকমেইল করে টাকা খাওয়ার অপচেষ্টায় রত ছিল। বিষয়টি একটি ষড়যন্ত্র। প্রায় সাত বছর আগেও একটি ঘটনার কারণে কে বা কারা টাকা খেয়েছিল!”

তারপর স্কুলের সভাপতি বাবুলকে ফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন,”এই স্কুল আমার বাপ দাদাদের দেয়া জমিতে প্রতিষ্ঠিত। আমি নিজের হাতে সেখানে গাছ লাগাই। এখান থেকে কোন টাকা পয়সা ইনকাম বা ধান্দা হয় না। এখানে কোন প্রকার অনিয়ম বা অন্যায় আমি বরদাস্ত করবো না সে যেই হোক না কেন? আর সেই ভিডিওর ঘটনা সম্পূর্ণই বানোয়াট। আগেও একটি ঘটনায় কে বা কারা টাকা খেয়ে ছিল। এই সরকারি স্কুলের শুভাকাঙ্ক্ষী হিসেবে আপনাদের স্বচক্ষে এসে দেখার অনুরোধ রইলো। সত্য মিথ্যা তুলে ধরে উচিত সমাধানের দায়িত্ব আপনাদের। স্কুল কর্তৃপক্ষের অনিয়ম পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে যাই করেন আমার আপত্তি নাই। আমি সত্যের পক্ষে আর অন্যায়ের বিপক্ষে কাজ করি তা সবাই জানেন। আমি এলাকার একজন গণ্যমান্য ব্যক্তি। আমি যা বলব কেউ তা ফেলতে পারবে না। এলাকার যে কোনো ব্যক্তি বা নেতা আমার সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলার শক্তি সাহস রাখেনা ।আপনাদের পুলিশি নিরাপত্তা সহ সার্বিক সহযোগিতার দায়িত্ব আমার। এসব ব্যাপারে জনৈক অভিভাবক ফোনে অভিযোগ করলেও সামনাসামনি দেখা না করে পালিয়েছে। সেই ভিডিও আমিও দেখেছি এবং হয়তো প্রধান শিক্ষিকার কাছে তা আছে ।এটা দেখলে সহজেই বোঝা যায় যে একটা চালাকি। তাছাড়া যেখানে ছাত্ররা কাজ করছিল সেখানে নিয়মিত ভাবেই কাজের মহিলা রাখা আছে। কাজেই আমি এটাকে বড় কিছু বলে ভাবছি না। তবে এই ব্যাপারে ফোন করেছিলেন এক বিশিষ্ট বীর মুক্তিযোদ্ধা। পরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি আমার এক ভাইজান মুক্তিযোদ্ধা তাদের সাথে সম্পৃক্ত।” এসব বক্তব্যের সাথে সাথে তিনি বহুবার জোড় অনুরোধ করেন সাংবাদিকদেরকে সরেজমিনে এসে দেখার জন্য।

তারপর গত ৫ই নভেম্বর সন্ধ্যাবেলায় উক্ত বাবুলকে ফোন করে একটি গুরুত্বপূর্ণ রিপোর্ট সাজানোর উদ্দেশ্য জানিয়ে তার উক্ত ভাইজান মুক্তিযোদ্ধা রিয়াজের ফোন নাম্বার চাওয়া হলে তিনি ব্যস্ততার ছলে তার কাছে নেই জানিয়ে অন্য মাধ্যমে খুঁজে নিতে পরামর্শ দেন। সেই সাথে উক্ত ঘটনার বিষয়বস্তুকে ফালতু হিসেবে উল্লেখ করে এসব নিয়ে সময় নষ্ট করতে অনিচ্ছুক বলে তিনি এড়িয়ে যান। অথচ, সেই বক্তব্যের সাথে সাংবাদিকদেরকে আবারো সামনাসামনি এসে দেখা করার অনুরোধ জানান। তখন তার এরূপ বক্তব্যে রিপোর্টিং এর গবেষণা ও অনুসন্ধানের নতুন মাত্রায় যাত্রা শুরু হয়।

বহুল প্রচেষ্টায় বিশেষ অনুসন্ধানে এবং গোপন সূত্রে জানা যায়,উক্ত স্কুলের জনৈক সভাপতি নাকি স্কুল ভবনের দুরাবস্থার বিষয়ে গনমাধ্যমে প্রকাশ ও সমাধানের পথ তৈরীর জন্য বহু আগে কোন সাংবাদিকদের অনুরোধ করেছিলেন। সেই খবর মোতাবেক সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মীগণ কোন পূর্বালোচনা ছাড়াই স্কুল প্রাঙ্গণে হঠাৎ করে যাওয়া মাত্র উক্ত ঘটনা চোখে পরলে ভিডিও করেন। ঝুঁকিপূর্ণভাবে ময়লার মধ্যে ঝাড়ুতে ব্যস্ত ছাত্ররা অপরিচিত ব্যক্তিদের উপস্থিতি ও ছবি তুলতে দেখে লজ্জা ও সংকোচ বোধ করেছিল। তাৎক্ষণিক উৎঘাটিত সেই দুর্লভ ভিডিও চিত্রসহ নিজেদের সুরক্ষার তাগিদেই সাংবাদিকগন শীঘ্র স্থান ত্যাগ করেন। কিছুক্ষণ পর একজন সাংবাদিক আবারো উঠোনে প্রবেশ করে দেখেন ছাত্ররা ঝাড়ু ও ময়লা নিচে এলোমেলো ভাবে ফেলে রেখে চলে গেছে। নির্দিষ্ট দিনক্ষণে সাংবাদিক পাঠানোর কথা থাকলেও তারা গোপনে খবর পেয়েছিলেন স্কুলে সাংবাদিক পাঠালে সাংবাদিকদের কপালে বিপদ অবধারিত! কোনভাবেই তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। কাজেই সেখানে সাংবাদিক পাঠানো,তাদের ফোন রিসিভ এবং সংবাদ প্রকাশনা থেকে আপাতত বিরত থাকতে হয়েছে।

কিছু সিনিয়র সাংবাদিক,লেখক ও গবেষকদের সমন্বয়ে সার্বিক ঘটনার বিশদ-বিশ্লেষণে পাওয়া যায়— বহিরাগত অপরিচিত কেউ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ঢুকে তাৎক্ষণিক ছাত্রদের ঝুঁকিপূর্ণ ও নোংরা স্থানে তুলে নিয়ে ঝাড়ু দিতে বলে ছবি তুলতে পারে এমনটি চরম উদ্ভট, জটিল, অবাস্তব ও হাস্যকর ব্যাপার। পক্ষান্তরে ,স্কুল কর্তৃপক্ষের দ্বারা ছাত্রদের দিয়ে অবৈধ ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করাতে গিয়ে অপ্রত্যাশিতভাবে সাংবাদিক বা আগন্তুকদের ক্যামেরায় ধরা খেয়ে নিজেদের দোষ ঢাকতে মিথ্যা ঘটনা সাজানো একেবারেই স্বাভাবিক ও সহজতর। আবার শিক্ষাগুরু হওয়া সত্ত্বেও অনিয়ম অন্যায় করা এবং তা প্রকাশ হবার ভয়ে উল্টো সাংবাদিকদের নামে অপবাদ ও মিথ্যাচারিতা দেশ ও জাতির কাছে অপ্রত্যাশিত ,অশোভন,বিদঘুটে ও কলঙ্কজনক অধ্যায়! তাছাড়া সাত বছর আগে কে বা কারা কি কারণে টাকা খেয়েছিল এমন বক্তব্য অজান্তেই স্কুল কর্তৃপক্ষের নিজেদের দোষ স্বীকারোক্তির সামিলও বটে।আবার আক্রোশমূলক বানোয়াট অপবাদে সাংবাদিকদের মহা বিপদে ফেলা নতুন কোন ঘটনাও নয়।এদিকে আলোচিত সেই ভিডিও দেখেও কোন ভাবেই মনে হচ্ছে না যে ,তাৎক্ষণিকভাবে কোন আগন্তুকের প্ররোচনায় ছাত্ররা ময়লার মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রমে ব্যস্ত! বরং কাউকে ভিডিও করতে দেখে ছাত্ররা লজ্জা ও সংকোচের সাথে বিষয়টি আড়াল করতে চাচ্ছে! কাজেই এমন ভিডিও বানোয়াট হওয়া তো দূরের কথা বরং এটি একটি অবৈধ, ঝুঁকিপূর্ণ ও আপত্তিকর শিশুশ্রম সহ বিরাট আপত্তিকর অনিয়মের দুর্লভ ও বাস্তব চিত্র!

শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড। সেই মেরুদন্ডের রক্ষণাবেক্ষণ ও শুভকামনা প্রতিটি নাগরিকের নৈতিক দায়িত্ব। শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে অনিয়ম দুর্নীতি মেনে নেয়া ,প্রশ্রয় দেওয়া কিংবা বিচারহীনতার পরিনামেই জাতি আজ ধ্বংসের সম্মুখীন ও চরম বিপর্যস্ত। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের অসদাচরণ কিংবা বহিরাগতদের সৃষ্ট অপতৎপরতা যাই হোক না কেন দেশ ও জাতির জন্য তা অবশ্যই অপূরণীয় ক্ষতি ও চরম বিভীষিকাময়য়ের অগ্রীম মহাবিপদ সংকেত বটেই। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভেতর সৃষ্ট যে কোন সমস্যা বা দুর্ঘটনার জন্য বিদ্যালয়ে কর্মরত প্রতিটি ব্যক্তি সরাসরি জাতির কাছে প্রশ্নবিদ্ধ, দায়ী ও জবাবদিহিতায় বাধ্য । যেকোনো অজুহাতেই এড়িয়ে যাওয়ার ন্যূনতম সুযোগ থাকতে পারে না। এক্ষেত্রে যথোপযুক্ত তদন্তহীনতা ও বিচারহীনতা বিদ্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষপাত দুষ্টতার সাক্ষ্যই বহন করছে।

এখন জনমনে প্রশ্ন,শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সেদিন তাহলে বহিরাগতদের বাঁধাহীন প্রবেশ ও অপকর্মের ঘটনাই কি সত্যি? নাকি নিজেদের অপরাধ ও নৈরাজ্য লুকোতে স্কুল কর্তৃপক্ষ রটনা রটাচ্ছে?আবার তাও কিনা সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মীদের বিরুদ্ধে! বাস্তবে যেটাই ঘটুক,কর্তৃপক্ষের গাফিলতীর বিষয়াদি তদন্তহীন বা বিচারহীন কেন? ম্যানেজিং কমিটি বাস্তবে কতটুকু দায়িত্ববান ও আস্থাশীল?প্রয়োজনের সময়ে স্কুলের সিকিউরিটি গার্ড ও কাজের বুয়ারা কোথায় থাকে? ফোনে সিডিউল নিয়েও সাংবাদিক পাঠাতে না পারা কে সেই ব্যক্তি?কি তার উদ্দেশ্য?ফোনে অভিযোগকারী জনৈক ব্যক্তি কে এবং তার আত্মগোপনের রহস্য কি? ভিডিও চিত্রের দৃশ্যমান ঘটনায় দায়ী কে এবং সমাধান কি? সেদিন সাংবাদিকগণ কি নিরাপত্তার অভাবেই দ্রুত কেটে পড়েছিল?বাস্তবে কি উদ্দেশ্যে বাবুল বারবার সাংবাদিকদের ডাকছেন? আবার উক্ত ঘটনা অদ্ভুত ও ভয়ানক হওয়া সত্ত্বেও বাবুল এটাকে সাধারণ বিষয় হিসেবে দেখছেন কেন? ঘটনা বানোয়াট হলেও সেটা গুরুত্বহীন ভাবার কোন যৌক্তিকতা আছে কি? পূর্বে কেউ যদি ব্ল্যাকমেইল করে থাকে বা টাকা খেয়ে থাকে তাহলে তবুও কর্তৃপক্ষ সচেতন নয় কেন? আসলেই কি উক্ত স্কুলের জনৈক সভাপতি স্কুল ভবনের জরাজীর্ণ দশা নিয়ে রিপোর্ট করতেই সাংবাদিকদের ডেকেছিলেন? সঠিক তথ্য উদঘাটন বাস্তবে সম্ভব নাকি অসম্ভব? আদৌ কোন সমাধান হবে নাকি এই অরাজকতা চলতেই থাকবে?এমন রহস্যময়ী ঘটনার আদি অন্ত কোথায়? সংশ্লিষ্ট প্রশাসন কি খতিয়ে দেখবে নাকি নির্বিকার থেকেই যাবে। আবার কেঁচো খুঁড়তে সাপ বা কুমির বেড়িয়ে আসছে কিনা তাই বা কে জানে? শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,শিক্ষার্থী ও শিক্ষা গুরুদের সচেতনতা সৃষ্টি ও মঙ্গলার্থে এমন একটি প্রতিবেদন দেশ ও জাতির জন্য নিছক বিরক্তিকর বা ফেলনা মাত্র নাকি অতি গুরুত্বপূর্ণ?

এই খবর প্রকাশের মাধ্যমে অতি জরুরি ভাবে সুষ্ঠু তদন্ত ও সুরাহার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিটি মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে।

ছবিতে বিদ্যালয়ের বিভিন্ন চিত্রসহ সভাপতি বাবুল ও প্রধান শিক্ষিকাকে দেখা যাচ্ছে।

এই বিভাগের আরও খবর